বেগুন খেলে কি এলার্জি হয়

Spread the love

বেগুন খেলে কি এলার্জি হয়

একটি পান্ত হলো বেগুন। এটি পুরাতন সময় থেকেই বাঙালির পছন্দের একটি সবজি হতে থাকে। খুব সহজেই উপস্থিত এই সবজির রস মুদ্রায়ন করে আনতে পারি। তবে অনেকেই বেগুন খেলে সমস্যার সম্মুখি হয়ে থাকে। এই লেখায় আপনি সেই সকল বিষয় নিয়ে জানতে পারবেন।

এক পরিচিত সমস্যা

একেবারেই বেগুন খাওয়ার পর কিন্তু ধার্মিক কারণে বা দেহতত্ত্ব জ্ঞানবান থাকলে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আমরা সবসময় যেগুলো খাচ্ছি ও উপস্থাপন করছি সেগুলো এলার্জিত হয়ে উঠবে বলে না। কারণ এটি একটি সাধারণ সমস্যা যা বেশ কয়েকজনকে আক্রান্ত করে আবার বেশ কয়েক প্রকারের সমস্যার কারণে এলার্জি হওয়া সম্ভব।

বেগুনে কি থাকে যা এলার্জি কারক

বেগুনে থাকা ক্ষতিকর গন্ধবিশেষ যে এলার্জি প্রকাশ করে

বেগুন একটি স্বাদবহুল সবজি হলেও দেখে নিশ্চিত হওয়া না সমস্ত মানুষ বেগুন খাওয়ার সময় একটি ক্ষতিকর গন্ধবিশেষ ঘটায়। এই গন্ধবিশেষের নাম হল সোলাইনিন। যেহেতু সোলাইনিন একটি ক্ষতিকর বিষকর এজেন্ট, এর সাথে যে কেউ ঝুঁকি করতে পারে। বেগুন খাওয়ার পর কিছু মানুষ চোখ লাল হয়ে যায়, কাশি-শ্বাস এবং এলার্জি হচ্ছে তাদের সাধারণ লক্ষণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে যে মানুষটি এলার্জি হয় তার এলার্জির একটা ক্ষুদ্র অংশও হলে তার পাশাপাশি বেগুন খেলে অন্য ব্যক্তি এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা রয়ে উঠে।

বেগুন খেলে সন্দেহজনক যে উপকরণ থাকতে পারে

বেগুন খেলে আমাদের শরীর একটি প্রতিক্রিয়া দিতে পারে যা কিছু মানুষে উচ্চ ধরনের বেগুন খেলে হয়ে থাকে। এই বেগুনের কিছু উপকরণ হতে পারে যেগুলি কিছু মানুষে অবশ্যই হানিকারক হতে পারে যেমন-

– সোলাইনিন

– নিট্রেজেন

– কালি

আপনার যদি কোন এলার্জি থাকে তবে অবশ্যই এই হানিকারক উপকরণ সমন্ধে আগে আগে জেনে নিন। এছাড়াও বেগুনে পরজনক জীবাণু বহন করার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সুতরাং সেই বেগুন না খেতে সম্পূর্ণ বর্জ্য করাটি উচিত।

যেহেতু বেগুনের এলার্জি ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে, তাই গর্ভবতী মা এবং হলদে অস্থি, হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বেগুন খেতে উদ্ভিদের খাবার হিসাবে এড়িয়ে নেওয়া দরকার নেই বরং তাদের জন্য আরো উত্তম সবজি রয়েছে।

বাংলাদেশে বেগুন কোথায় উগানো হয়

বেগুনের থানা কীভাবে গোছা হয়

মোট আশপাশে ৬৫,০০০ হেক্টর জমির উপর বাংলাদেশে বেগুন চাষ করা হয়। যদিও বেগুন দক্ষিন এশিয়া থেকে উৎস নেয়, তবে বাংলাদেশও এর চাষকাজে প্রবৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি বেগুন চাষ করা হয় পবিত্র ঈদগাহে থেকে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার উপকূলের এলাকাগুলোতে।

বেগুনের স্বাদসঙ্গত বর্তনী ও উৎপাদনে একটি উত্তম মাটির প্রয়োজন। সাধারণত নিত্যপক্ষে বেগুনের ৬ থেকে ৮ ঘন্টার সূর্যাস্ত আলোক প্রয়োজন হয়। বেগুন একটি সবজি যা বাংলাদেশে সেরা প্রকৃতিস্থানে বাংলাদেশের যান্ত্রিক সবজির মধ্যে অধিক উত্পাদিত হয়।

বেগুন চাষে আশপাশের ভরসা তথা ভরসাকে নষ্ট করতে পারে সেন্ট বেগুন মোষন ব্যাকটেরিয়া। এ কারণে বেগুনের থানা স্থানান্তর করা প্রয়োজন। যেমন নতুন ভূমি উদ্ভিদ চাষ করতে বেগুনের চাষের ভিতরেই হয়। এর জন্য বেগুনের থানা বা গোছা হওয়া প্রয়োজন। বেগুনের ডিওআই সংক্রান্ত স্থানান্তর পরীক্ষার্থী উপযোগী মাটি এবং আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশে বেগুন উদ্যানে চাষ ও রক্ষা করা হয়

বাংলাদেশে প্রধানতঃ দুটি জাতি বিশিষ্ট উদ্যানে বেগুন চাষ ও রক্ষা করা হয়। এগুলো হল শালবন বেগুন উদ্যান এবং মৌলভীবাজার বেগুন উদ্যান।

শালবন বেগুন উদ্যান বাংলাদেশের একটি উদ্যান যা নর্থ-ওয়েস্ট ফরেস্টিং ডিভিশনের একটি অংশ। এখানে উদ্ভিদের প্রচারের ধরন দেশের অন্যান্য উদ্যানের চেয়ে তথ্য বিশ্বস্ত এবং উন্নয়নশীল। এখানে বেগুন উপকরণ একই ভাবে ফসল পরিচর্যা করা হয়। এর জন্য প্রতি বছর সম্প্রতি ১৫০০ হেক্টর জমির উপর বেগুন চাষ হয়।

মৌলভীবাজার বেগুন উদ্যান বাংলাদেশের উদ্যান পরিচালনা করা একটি স্বনামধন্য বেগুন উদ্যান। এখানে বেগশাল এবং প্রতিরক্ষার জন্য বিশেষ কয়েদ ও নির্দেশিকা আছে। এছাড়াও এখানে বেগুনের উন্নয়ন এবং বৃদ্ধি সম্পর্কে মুল অনুশীলন পরিচালিত হয়। এর সাথে সাথে আরও অনেক মানুষ একটি নিরাপদ এবং সুস্থ বেগুন উপকরণ খেতে পারেন।

এক কথায়, বেগুন হল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উদ্যান উপকরণ যা দেশব্যাপী উৎপাদনের মধ্যে আছে। এটি কর্মশীলদের জন্য জবরজমা উৎস প্রতিপূর্তিতে প্রকৃতিস্থান পরিবর্তনকে লক্ষ্য রাখে এবং স্বাস্থ্যপরিবেশ উন্নয়নের জন্য মূল্যবান উপকরণ সরবরাহ করে।

বেগুন খাওয়ার কোন সময়টিতে এলার্জি হয়

বেগুন খাওয়ার সময় সাবধান থাকা উচিত

বেগুন খাওয়ার সময় সমস্ত মানুষের জন্য কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন-

– পুরো বেগুন খেতে একটি ব্যক্তি যদি অক্ষম হয় তবে অবশ্যই গোল বেগুন না খেতে হবে।

– বেগুনের পরবর্তী পরিবর্তন হতে পারে তাই যখন বিষয়টি হইল নাও তখন বেগুন খেতে অবশ্যই সাবধান।

– সমস্ত মানুষ বেগুন খাওয়ার সময় বিভিন্ন উপকরণের পরীক্ষা করতে হবে। ডাক্তার কোথাও না বলা বেগুন খাওয়ার আগে আপনার যদি কোন উচিত সময় হয় তবে পরিমাণগত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

বেগুনের এলার্জি হলে কিছু মানুষে ঘাতক এলার্জির লক্ষণ নেই এবং তাদের দেহ এটি ক্ষতিগ্রস্ত করে না। তবে এটি মানসিক মানে দুর্বলতা হারাতে সক্ষম। অন্যভাবে বেগুন একটি শক্তিশালী সবজি যা সেবার সময় উপকারক।

বেগুন খাওয়ার কোন সময় না খেলে ভাল

কিছু মানুষ এলার্জি দেখা না দেওয়া পর্যন্ত বেগুন খেতে পারে। কিন্তু তারপর মেদের তাকত হারাতে পারে তারা এলার্জি দেখাতে শুরু করতে পারেন। তাই বেগুন খেতে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। এছাড়াও বেগুন কিছু মানুষের জন্য অনেকটা জন্মদাতা অমৃতের মত। তাই এর খাবার হিসাবে তাদের জন্য অনেকটা শ্রেষ্ঠ। তাই এলার্জি থাকলেও বেগুন খেতে হলে আগে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া করা উচিত।

বেগুনের এলার্জি রোধে কী করা উচিত

বেগুন এলার্জি রোধে অস্থিরতা প্রয়োজন

বেগুন এলার্জি সম্পর্কে জানার পর এটি রোধ করার উপায় খুঁজতে হবে। তবে, এটি রোধ করা একটি সমস্যার একাধিক উপায় নেই। যেমন বেগুন থেকে ভুল রক্তকণিকা আসতে পারে যা পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। একটি ডাক্তার এলার্জি দেখতে এবং পরামর্শ দিতে পারে কিভাবে বেগুন এলার্জি রোধ করতে হবে।

এলার্জির লক্ষণ স্বাভাবিক না হলে সাবধানতা বর্তমান থাকতে হবে। উপকরণ হিসেবে সেই সমস্ত কিছু থেকে বিরত থাকতে হবে যা আগে বেগুন খেতে ছিলেন।

বেগুন খেলে এলার্জি হলে করণীয়

বেগুন এলার্জি হলে একটি ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। যেমন স্বাভাবিকভাবে দেখা না দেওয়া সমস্যা হতে পারে এবং বুকে ব্যথা থেকে এলার্জি হতে পারে। ব্যথা হতে পারে এবং স্বাস্থ্যের সমস্যা ছড়িয়ে আনতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতি দেখলে বেগুন ও বেগুনের বিভিন্ন উপকরণ খুব যত্নসহকারে থেকে রাখতে হবে।

সমস্ত মানুষের জন্য বেগুন পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর তথ্যের উপর ভিত্তি করে খেতে হবে। যা স্বাভাবিকভাবে স্বাস্থ্যকর থাকতে সাহায্য করতে পারে। বেগুন একটি শক্তিশালী সবজি যা আপনার অবস্থা ভালো করার জন্য বিভিন্ন উপকারের সুযোগ দেয়।

গোল বেগুন সম্ভবত অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর হওয়ার উপকারিতা রয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্য উপকরণগুলি নির্বাচন করা উচিত আগে আগেই। আশা করা যায় যে উপরোক্ত তথ্য আপনার বেগুনের এলার্জি রোধে সহায়ক হবে।

এলার্জি প্রতিরোধে কী খেয়ে যাওয়া উচিত

বিভিন্ন উপায়ে বেগুন এলার্জি প্রতিরোধ করা যায়

বেগুন খাওয়াকে এলার্জি প্রতিরোধের জন্য কয়েকটি উপায় আছে। যেমন-

– বেগুনের একটি সাধারণ পরিমাণ খেতে থাকতে হবে। বেগুনের সাধারণ পরিমাণ 75 গ্রাম হতে পারে। তবে এলার্জিক ব্যক্তিদের জন্য পরিমাণ যেমন ডাক্তার বলেছে তেমনি খেতে হবে।

– বেগুন খাওয়ার সময় অন্য মাংস ও পারব(Seafood) সম্পৃক্ত খাবার দেয়া উচিত নয়। যেহেতু এদের বিকল্প হিসেবে সুস্থ খাদ্য রয়েছে সেগুলো পেতে হবে।

– ইংরেজি চিংড়ি একটি বেশ কিছু মানুষের জন্য জন্মদাতা অমৃতের মত। চিংড়ি খাওয়াকে এলার্জি প্রতিরোধের একটি চূড়ান্ত উপায়।

– বেগুন খেতে বা সেবা করতে সময়ের মধ্যে তা উপ্পু করা বা কচিয়ে দেওয়া উচিত নয়। উপ্পু বা তেল ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু খাবারে তাদের রুচি না হলে চেষ্টা করা যাবে।

– বেগুন খেতে হলে প্যাকেজ করা বেগুন উচিত না হলে বেশ কিছু মানুষে এলার্জি হতে পারে। সেই জন্য স্বল্প সময়ে বেগুন সেবা ফলে নিশ্চিত হতে হবে।

প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান আহার করা উচিত

বেগুন এলার্জি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান আহার খাওয়া উচিত। যেমন মাংস, চিংড়ি, টিউনা, রুটি এবং সব জীবাণুর জাতীয় খাবার খেতে হবে। পুষ্টিমান খাদ্য ম্যারাথন খেতে পারে এমন স্ন্যাকস ও স্ন্যাকস খাওয়া উচিত না। বেগুন এলার্জি প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবারগুলি হল প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান খাদ্য।

এলার্জি প্রতিরোধ জন্য থাকা খাবার কিন্তু পুষ্টিমান না হলে সে হতাশ হতে পারে। এছাড়াও বেগুন সমৃদ্ধ আধুনিক খাদ্যে যুক্ত করতে পারেন যা আপনার চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন। এলার্জি প্রতিরোধ জন্য খাবার না কিনলেও আপনার যথাযথ পুষ্টিমান খাবার থাকা উচিত।

মোটামুটি বলা যায়, এলার্জি প্রতিরোধ জন্য সুস্থ পুষ্টিমান খাবার ও সাবধানতা বজায় রাখা উচিত। যদি অপেক্ষাকৃত বেগুন এলার্জি থাকে তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এলার্জি পরীক্ষা কীভাবে করা হয়

বেগুন এলার্জি পরীক্ষা করা হয় কীভাবে

এলার্জি পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তার একটি লাবরেটোরি টেস্ট (এলার্জি ব্লাড টেস্ট) বা এলার্জি স্কিন টেস্ট নির্ধারণ করতে পারেন। কিন্তু সাধারণত বেগুন এলার্জি পরীক্ষার জন্য প্রথমেই ডাক্তার প্রশ্নবিজ্ঞপ্তি করে নির্দেশ দেন কিছু দিনের জন্য বেগুন থেকে দূরে থাকতে হবে। এবং তারপরে অভিজ্ঞতা ও উপযোগী খাদ্যবিষয়ক নিরীক্ষণ করে সঠিক নির্দেশ দেন।

এলার্জি ব্লাড টেস্টে ডাক্তার এলার্জির জন্য রন্ধনশীল পরিবেশগুলি আবিষ্কার করে মৌলিক সামগ্রীগুলির সাথে কারণগুলি নির্ধারণ করে দেখে। এই টেস্টটির দ্বারা এলার্জি পুর্ব পরীক্ষা হয় এবং মাংসপেশিদের উন্নয়নে জন্য ভালো প্রভাব ফেলে তা নিশ্চিত করা হয়।

এলার্জি স্কিন টেস্টে ডাক্তার একটি প্রোটিন যা বেগুনের দেহে বিপুল পরিমাণে উপস্থিত থাকে ফোকাস করে দেখে। স্কিন টেস্টটি নির্ভর করে ডাক্তারটি কি ধরণের এলার্জির কথা বলছেন এবং সেটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

হাসপাতালে এলার্জি পরীক্ষা করা কীভাবে

হাসপাতালে এলার্জি পরীক্ষা করার জন্য প্রথমেই রেফারেন্স ডাক্তার বা এলার্জি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ নিতে হবে। পরীক্ষার পূর্বে নির্দিষ্ট কোনও খাবার খাওয়া না হলে ভালো হয়। এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে হবে যেমন কি কি খারাপ প্রতিক্রিয়া বা শরীরে কী কাজ করছে এমন।

মেডিকেল হলে আমাদের ডাক্তার জেনে নেয়ার জন্য খাবার পরীক্ষা, ফাইব্রিনোলাসিস টেস্ট এবং ইমেজিং টেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। ফাইব্রিনোলাসিস টেস্টটির মাধ্যমে আপনার রক্তে কী পরিমাণে ক্লস্টিং এনজাইম জারি হয় তা জানা যায়। ইমেজিং টেস্ট এলার্জির উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ফোটোগ্রাফি বা স্ক্যানকের মাধ্যমে হতে পারে।

এলার্জি পরীক্ষার ফলস্বরূপে ডাক্তার এলার্জির কারণ এবং এটি কীভাবে বিপরীত প্রতিক্রিয়া উত্পন্ন করে সেটি নির্ধারণ করে একইভাবে চিকিতসা করা হয়।

বেগুন এলার্জি থেকে সুরক্ষা কী করা যায়

বেগুন এলার্জি থেকে বাঁচতে জীবনযাপন পরিবর্তন

বেগুন এলার্জি থেকে বাঁচতে জীবনযাপনের কাছাকাছি পরিবর্তন করা সম্ভব। বেগুন এলার্জি রোগীর ক্ষমতা উন্নয়নে সঠিক জীবনযাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিছু পরামর্শ মেনে চললে বেগুন এলার্জি থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। একটি সম্পূর্ণ পরিবর্তিত জীবনযাপন শুরু করা সময় কিছু বিষয় মেনে নিলে বেজার ব্যক্তি বেগুন এলার্জি থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারেন। প্রয়োজনে এছাড়াও ডাক্তারের মতামত জানতে পারেন। কিছু পরামর্শ নিম্নে দেওয়া হলঃ

– অতিরিক্ত নিরাপদ দাবি সহ বেগুন খেতে হবে। এটির জন্য একটি ডিটকরে দাবি করা যায়। সাধারণত বেগুনের জন্য দিনে কমপক্ষে ৯ টি দলন হলে ভালো।

– বেগুন খাওয়ার সময় সিরাপ বেশী ব্যবহার করতে হবে। এটি খাবারটির স্বাদ কিছুটা পরিবর্তন করতে পারে।

– একবারে অনেক বেগুন খাওয়া সম্ভব নয়। কারণ বেগুন এলার্জি রোগীর দেহে অধিক বেগুনের ফেনলিক অ্যাসিড জমা হয় যা এলার্জি রোগীদের সেই সময় অসুখ করেই না।

– বেগুন খাওয়ার সময় সমেত অন্যান্য খাবারের সৌদয় বা সম্পূরণ আচরণ করলে সেটি বেগুন এলার্জি রোগীর দেহে ক্ষতিকর হতে পারে।

বেগুন এলার্জি সংক্রান্ত তথ্য সচেতনতা

বেগুন এলার্জি কি কিভাবে ঘটে সেটি অনেকের জানা নেই। এলার্জি প্রতিক্রিয়া একটি থেকে বেশি উপাদান থেকে হতে পারে। বেগুন এলার্জি সংক্রান্ত তথ্য সচেতনতা বাড়ানোই বেগুন এলার্জি রোগীর উপকারিতায়। যেমন বেগুন এলার্জি ছেলে একটি পরিবারে থাকলে সে পরিবারের সদস্যগণ এবং তাদের অগ্রাধিকার সম্পর্কে তথ্য চিন্তা করতে পারেন। বেগুন এলার্জি থেকে বাঁচতে চাইলে তথ্য সচেতনতা ছাড়া থাকাটা অসম্ভব। তথ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে নিরলস উদ্যম দেখাতে হবে। বেগুন এলার্জি রোগী নিজেকে সম্পূর্ণ তথ্যমূলক জানতে হবে যাতে তার মধ্যে তেমন কোন অজ্ঞাত উপস্থিতি না


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *